১৭-১ : পবিত্র ও মহিমময় তিনি যিনি তাঁহার বান্দাকে রজনীতে ভ্রমণ করাইয়াছিলেন আল - মসজিদুল হারাম হইতে আল - মসজিদুল আক্সা পর্যন্ত, যাহার পরিবেশ আমি করিয়াছিলাম বরকতময়, তাহাকে আমার নিদর্শন দেখাইবার জন্য; তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।
১৭-২ : আমি মূসাকে কিতাব দিয়াছিলাম ও উহাকে করিয়াছিলাম বনী ইস্রাঈলের জন্য পথনির্দেশক। আমি আদেশ করিয়াছিলাম ‘তোমরা আমাকে ব্যতীত অপর কাহাকেও কর্মবিধায়করূপে গ্রহণ করিও না;
১৭-৪ : এবং আমি কিতাবে প্রত্যাদেশ দ্বারা বনী ইস্রাঈলকে জানাইয়াছিলাম, ‘নিশ্চয়ই তোমরা পৃথিবীতে দুইবার বিপর্যয় সৃষ্টি করিবে এবং তোমরা অতিশয় অহংকারস্ফীত হইবে।’
১৭-৫ : অতঃপর এই দুইয়ের প্রথমটির নির্ধারিত কাল যখন উপস্থিত হইল তখন আমি তোমাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করিয়াছিলাম আমার বান্দাদেরকে, যুদ্ধে অতিশয় শক্তিশালী; উহারা ঘরে ঘরে প্রবেশ করিয়া সমস্ত ধ্বংস করিয়াছিল। আর প্রতিশ্রুতি কার্যকরী হইয়াই থাকে।
১৭-৭ : তোমরা সৎকর্ম করিলে সৎকর্ম নিজেদের জন্য করিবে এবং মন্দ কর্ম করিলে তাহাও করিবে নিজেদের জন্য। অতঃপর পরবর্তী নির্ধারিত কাল উপস্থিত হইলে আমি আমার বান্দাদেরকে প্রেরণ করিলাম তোমাদের মুখমণ্ডল কালিমাচ্ছন্ন করিবার জন্য, প্রথমবার তাহারা যেভাবে মসজিদে প্রবেশ করিয়াছিল পুনরায় সেইভাবেই উহাতে প্রবেশ করিবার জন্য এবং তাহারা যাহা অধিকার করিয়াছিল তাহা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করিবার জন্য।
১৭-৮ : সম্ভবত তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের প্রতি দয়া করিবেন কিন্তু তোমরা যদি তোমাদের পূর্ব - আচরণের পুনরাবৃত্তি কর তবে আমিও পুনরাবৃত্তি করিব। জাহান্নামকে আমি করিয়াছি কাফিরদের জন্য কারাগার।
১৭-১২ : আমি রাত্রি ও দিবসকে করিয়াছি দুইটি নিদর্শন, রাত্রির নিদর্শনকে অপসারিত করিয়াছি এবং দিবসের নিদর্শনকে আলোকপ্রদ করিয়াছি যাহাতে তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের অনুগ্রহ সন্ধান করিতে পার এবং যাহাতে তোমরা বর্ষসংখ্যা ও হিসাব জানিতে পার; এবং আমি সব কিছু বিশদভাবে বর্ণনা করিয়াছি।
১৭-১৫ : যাহারা সৎপথ অবলম্বন করিবে তাহারা তো নিজেদেরই মঙ্গলের জন্য সৎপথ অবলম্বন করিবে এবং যাহারা পথভ্রষ্ট হইবে তাহারা তো পথভ্রষ্ট হইবে নিজেদেরই ধ্বংসের জন্য এবং কেহ অন্য কাহারও ভার বহন করিবে না। আমি রাসূল না পাঠান পর্যন্ত কাহাকেও শাস্তি দেই না।
১৭-১৬ : আমি যখন কোন জনপদ ধ্বংস করিতে চাই তখন উহার সমৃদ্ধিশালী ব্যক্তিদেরকে সৎকর্ম করিতে আদেশ করি, কিন্তু উহারা সেখানে অসৎকর্ম করে ; অতঃপর উহার প্রতি দণ্ডাজ্ঞা ন্যায়সংগত হইয়া যায় এবং আমি উহা সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত করি।
১৭-১৮ : কেহ আশু সুখ - সম্ভোগ কামনা করিলে আমি যাহাকে যাহা ইচ্ছা এইখানেই সত্বর দিয়া থাকি ; পরে উহার জন্য জাহান্নাম নির্ধারিত করি যেখানে সে প্রবেশ করিবে নিন্দিত ও অনুগ্রহ হইতে দূরীকৃত অবস্থায়।
১৭-২৩ : তোমার প্রতিপালক আদেশ দিয়াছেন তিনি ব্যতীত অন্য কাহারও ‘ইবাদত না করিতে ও পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করিতে। তাহাদের একজন অথবা উভয়েই তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হইলে তাহাদেরকে ‘উফ্’ বলিও না এবং তাহাদেরকে ধমক দিও না ; তাহাদের সঙ্গে সম্মানসূচক কথা বলিও।
১৭-৩০ : নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক যাহার জন্য ইচ্ছা তাহার রিযিক বর্ধিত করেন এবং যাহার জন্য ইচ্ছা উহা সীমিত করেন। তিনি তো তাঁহার বান্দাদের সম্বন্ধে সম্যক পরিজ্ঞাত, সর্বদ্রষ্টা।
১৭-৩৩ : আল্লাহ্ যাহার হত্যা নিষিদ্ধ করিয়াছেন যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে তাহাকে হত্যা করিও না। কেহ অন্যায়ভাবে নিহত হইলে তাহার উত্তরাধিকারীকে তো আমি উহা প্রতিকারের অধিকার দিয়াছি ; কিন্তু হত্যার ব্যাপারে সে যেন বাড়াবাড়ি না করে ; সে তো সাহায্যপ্রাপ্ত হইয়াছেই।
১৭-৩৪ : ইয়াতীম বয়োপ্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত সদুপায়ে ছাড়া তোমরা তাহার সম্পত্তির নিকটবর্তী হইও না এবং প্রতিশ্রুতি পালন করিও; নিশ্চয়ই প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে কৈফিয়ত তলব করা হইবে।
১৭-৪০ : তোমাদের প্রতিপালক কি তোমাদেরকে পুত্র সন্তানের জন্য নির্বাচিত করিয়াছেন এবং তিনি কি নিজে ফিরিশ্তাগণকে কন্যারূপে গ্রহণ করিয়াছেন? তোমরা তো নিশ্চয়ই ভয়ানক কথা বলিয়া থাক !
১৭-৪৪ : সপ্ত আকাশ, পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছু তাঁহারই পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে এবং এমন কিছু নাই যাহা তাঁহার সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে না ; কিন্তু উহাদের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা তোমরা অনুধাবন করিতে পার না; নিশ্চয়ই তিনি সহনশীল, ক্ষমাপরায়ণ।
১৭-৫২ : যেদিন তিনি তোমাদেরকে আহ্বান করিবেন, এবং তোমরা তাঁহার প্রশংসার সঙ্গে তাঁহার আহ্বানে সাড়া দিবে এবং তোমরা মনে করিবে, তোমরা অল্পকালই অবস্থান করিয়াছিলে।’
১৭-৫৪ : তোমাদের প্রতিপালক তোমাদেরকে ভালভাবে জানেন। ইচ্ছা করিলে তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করেন এবং ইচ্ছা করিলে তোমাদেরকে শাস্তি দেন ; আমি তোমাকে উহাদের অভিভাবক করিয়া পাঠাই নাই।
১৭-৫৫ : যাহারা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে আছে তাহাদেরকে তোমার প্রতিপালক ভালভাবে জানেন। আমি তো নবীগণের কতককে কতকের উপর মর্যাদা দিয়াছি ; দাঊদকে আমি যাবূর দিয়াছি।
১৭-৫৭ : উহারা যাহাদেরকে আহ্বান করে তাহারাই তো তাহাদের প্রতিপালকের নৈকট্য লাভের উপায় সন্ধান করে যে, তাহাদের মধ্যে কে কত নিকটতর হইতে পারে, তাঁহার দয়া প্রত্যাশা করে ও তাঁহার শাস্তিকে ভয় করে। নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালকের শাস্তি ভয়াবহ।
১৭-৬০ : স্মরণ কর, আমি তোমাকে বলিয়াছিলাম যে, নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক মানুষকে পরিবেষ্টন করিয়া আছেন। আমি যে দৃশ্য তোমাকে দেখাইয়াছি তাহা এবং কুরআনে উল্লিখিত অভিশপ্ত বৃক্ষটিও কেবল মানুষের পরীক্ষার জন্য। আমি উহাদেরকে ভীতি প্রদর্শন করি, কিন্তু ইহা উহাদের ঘোর অবাধ্যতাই বৃদ্ধি করে।
১৭-৬২ : সে বলিয়াছিল, “আপনি কি বিবেচনা করিয়াছেন, আপনি আমার উপর এই ব্যক্তিকে মর্যাদা দান করিলেন, কিয়ামতের দিন পর্যন্ত যদি আমাকে অবকাশ দেন তাহা হইলে আমি অল্প কয়েকজন ব্যতীত তাহার বংশধরকে অবশ্যই কর্তৃত্বাধীন করিয়া ফেলিব।”
১৭-৬৪ : ‘তোমার আহ্বানে উহাদের মধ্যে যাহাকে পার পদস্খলিত কর, তোমার অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনী দ্বারা উহাদেরকে আক্রমণ কর এবং উহাদের ধনে ও সন্তান - সন্ততিতে শরীক হইয়া যাও ও উহাদেরকে প্রতিশ্রুতি দাও। শয়তান উহাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দেয় উহা ছলনা মাত্র।
১৭-৬৬ : তোমাদের প্রতিপালক তিনিই যিনি তোমাদের জন্য সমুদ্রে নৌযান পরিচালিত করেন, যাহাতে তোমরা তাঁহার অনুগ্রহ সন্ধান করিতে পার। তিনি তো তোমাদের প্রতি পরম দয়ালু।
১৭-৬৭ : সমুদ্রে যখন তোমাদেরকে বিপদ স্পর্শ করে তখন কেবল তিনি ব্যতীত অপর যাহাদেরকে তোমরা আহ্বান করিয়া থাক তাহারা অন্তর্হিত হইয়া যায় ; অতঃপর তিনি যখন তোমাদেরকে উদ্ধার করিয়া স্থলে আনেন তখন তোমরা মুখ ফিরাইয়া নাও। মানুষ অতিশয় অকৃতজ্ঞ।
১৭-৬৮ : তোমরা কি নির্ভয় হইয়াছ যে, তিনি তোমাদেরকেসহ কোন অঞ্চল ধসাইয়া দিবেন না অথবা তোমাদের উপর শিলা বর্ষণকারী ঝঞ্ঝা প্রেরণ করিবেন না ? তখন তোমরা তোমাদের কোন কর্মবিধায়ক পাইবে না।
১৭-৬৯ : অথবা তোমরা কি নির্ভয় হইয়াছ যে, তিনি তোমাদেরকে আর একবার সমুদ্রে লইয়া যাইবেন না এবং তোমাদের বিরুদ্ধে প্রচণ্ড ঝটিকা পাঠাইবেন না এবং তোমাদের কুফরী করার জন্য তোমাদেরকে নিমজ্জিত করিবেন না? তখন তোমরা এ বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে কোন সাহায্যকারী পাইবে না।
১৭-৭০ : আমি তো আদমসন্তানকে মর্যাদা দান করিয়াছি; স্থলে ও সমুদ্রে উহাদের চলাচলের বাহন দিয়াছি; উহাদেরকে উত্তম রিযিক দান করিয়াছি এবং আমি যাহাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছি তাহাদের অনেকের উপর উহাদেরকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়াছি।
১৭-৭১ : স্মরণ কর, সেই দিনকে যখন আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়কে উহাদের নেতাসহ আহবান করিব। যাহাদের দক্ষিণ হস্তে তাহাদের আমলনামা দেওয়া হইবে, তাহারা তাহাদের আমলনামা পাঠ করিবে এবং তাহাদের উপর সামান্য পরিমাণও জুলুম করা হইবে না।
১৭-৭৯ : এবং রাত্রির কিছু অংশে তাআল হজ্জুদ কায়েম করিবে, ইহা তোমার এক অতিরিক্ত কর্তব্য। আশা করা যায় তোমার প্রতিপালক তোমাকে প্রতিষ্ঠিত করিবেন প্রশংসিত স্থানে।
১৭-৮০ : বল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে প্রবেশ করাও কল্যাণের সঙ্গে এবং আমাকে নিষ্ক্রান্ত করাও কল্যাণের সঙ্গে এবং তোমার নিকট হইতে আমাকে দান করিও সাহায্যকারী শক্তি।’
১৭-৮৬ : ইচ্ছা করিলে আমি তোমার প্রতি যাহা ওহী করিয়াছি তাহা অবশ্যই প্রত্যাহার করিতে পারিতাম; তাহা হইলে এই বিষয়ে তুমি আমার বিরুদ্ধে কোন কর্মবিধায়ক পাইতে না।
১৭-৮৮ : বল, ‘যদি কুরআনের অনুরূপ কুরআন আনয়নের জন্য মানুষ ও আল জিন সমবেত হয় এবং যদিও তাহারা পরস্পরকে সাহায্য করে তবুও তাহারা ইহার অনুরূপ আনয়ন করিতে পারিবে না।
১৭-৯৩ : ‘অথবা তোমার একটি স্বর্ণ নির্মিত গৃহ হইবে, অথবা তুমি আকাশে আরোহণ করিবে, কিন্তু তোমার আকাশ আরোহণে আমরা কখনও ঈমান আনিব না যতক্ষণ তুমি আমাদের প্রতি এক কিতাব অবতীর্ণ না করিবে যাহা আমরা পাঠ করিব।’ বল, ‘পবিত্র মহান আমার প্রতিপালক! আমি তো হইতেছি কেবল একজন মানুষ, একজন রাসূল।’
১৭-৯৭ : আল্লাহ্ যাহাদেরকে পথনির্দেশ করেন তাহারা তো পথপ্রাপ্ত এবং যাহাদেরকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তুমি কখনই তাঁহাকে ব্যতীত অন্য কাহাকেও উহাদের অভিভাবক পাইবে না। কিয়ামতের দিন আমি উহাদেরকে সমবেত করিব উহাদের মুখে ভর দিয়া চলা অবস্থায় অন্ধ, মূক ও বধির করিয়া। উহাদের আবাসস্থল জাহান্নাম; যখনই উহা স্তিমিত হইবে আমি তখনই উহাদের জন্য অগ্নিশিখা বৃদ্ধি করিয়া দিব।
১৭-৯৮ : ইহাই উহাদের প্রতিফল, কারণ উহারা আমার নিদর্শন অস্বীকার করিয়াছিল ও বলিয়াছিল, ‘অস্থিতে পরিণত ও চূর্ণ - বিচূর্ণ হইলেও আমরা কি নূতন সৃষ্টিরূপে পুনরুত্থিত হইব?’
১৭-৯৯ : উহারা কি লক্ষ্য করে না যে, আল্লাহ যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন তিনি উহাদের অনুরূপ সৃষ্টি করিতে ক্ষমতাবান? তিনি উহাদের জন্য স্থির করিয়াছেন এক নির্দিষ্ট কাল, যাহাতে কোন সন্দেহ নাই। তথাপি সীমালংঘনকারীরা কুফরী করা ব্যতীত ক্ষান্ত হইল না।
১৭-১০১ : তুমি বনী ইস্রাঈলকে জিজ্ঞাসা করিয়া দেখ আমি মূসাকে নয়টি স্পষ্ট নিদর্শন দিয়াছিলাম; যখন সে তাহাদের নিকট আসিয়াছিল, ফির‘আওন তাহাকে বলিয়াছিল, ‘হে মূসা! আমি মনে করি তুমি তো জাদুগ্রস্ত।’
১৭-১০২ : মূসা বলিয়াছিল, ‘তুমি অবশ্যই অবগত আছ যে, এই সমস্ত স্পষ্ট নিদর্শন আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর প্রতিপালকই অবতীর্ণ করিয়াছেন - প্রত্যক্ষ প্রমাণস্বরূপ। হে ফির‘আওন! আমি তো দেখিতেছি তোমার ধ্বংস আসন্ন!’
১৭-১০৪ : ইহার পর আমি বনী ইস্রাঈলকে বলিলাম, ‘তোমরা ভূপৃষ্ঠে বসবাস কর এবং যখন কিয়ামতের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হইবে তখন তোমাদের সকলকে আমি একত্র করিয়া উপস্থিত করিব।
১৭-১০৭ : বল, ‘তোমরা কুরআনে বিশ্বাস কর বা বিশ্বাস না কর, যাহাদেরকে ইহার পূর্বে জ্ঞান দেওয়া হইয়াছে তাহাদের নিকট যখন ইহা পাঠ করা হয় তখনই তাহারা সিজ্দায় লুটাইয়া পড়ে।’
১৭-১১০ : বল, ‘তোমরা ‘আল্লাহ্’ নামে আহ্বান কর বা ‘রাহমান’ নামে আহ্বান কর, তোমরা যে নামেই আহ্বান কর সকল সুন্দর নামই তো তাঁহার। তোমরা সালাতে স্বর উচ্চ করিও না এবং অতিশয় ক্ষীণও করিও না; এই দুইয়ের মধ্যপথ অবলম্বন কর।’
১৭-১১১ : বল, ‘প্রশংসা আল্লাহ্রই যিনি কোন সন্তান গ্রহণ করেন নাই, তাঁহার সার্বভৌমত্বে কোন অংশী নাই এবং যিনি দুর্দশাগ্রস্ত হন না যে কারণে তাঁহার অভিভাবকের প্রয়োজন হইতে পারে। সুতরাং সসম্ভ্রমে তাঁহার মাহাত্ম্য ঘোষণা কর।’