আয়াত ৩তাফসীরসংরক্ষণاِنَّاۤ اَنۡزَلۡنٰهُ فِىۡ لَيۡلَةٍ مُّبٰـرَكَةٍ اِنَّا كُنَّا مُنۡذِرِيۡنَ ﴿۳﴾৪৪-৩ : আমি তো ইহা অবতীর্ণ করিয়াছি এক মুবারক রজনীতে ; আমি তো সতর্ককারী।
আয়াত ৪তাফসীরসংরক্ষণفِيۡهَا يُفۡرَقُ كُلُّ اَمۡرٍ حَكِيۡمٍۙ﴿۴﴾৪৪-৪ : এই রজনীতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়,
আয়াত ৫তাফসীরসংরক্ষণاَمۡرًا مِّنۡ عِنۡدِنَاؕ اِنَّا كُنَّا مُرۡسِلِيۡنَۚ﴿۵﴾৪৪-৫ : আমার আদেশক্রমে, আমি তো রাসূল প্রেরণ করিয়া থাকি
আয়াত ৬তাফসীরসংরক্ষণرَحۡمَةً مِّنۡ رَّبِّكَؕ اِنَّهٗ هُوَ السَّمِيۡعُ الۡعَلِيۡمُۙ﴿۶﴾৪৪-৬ : তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহস্বরূপ ; তিনি তো সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ -
আয়াত ৭তাফসীরসংরক্ষণرَبِّ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ وَمَا بَيۡنَهُمَاۘ اِنۡ كُنۡتُمۡ مُّوۡقِنِيۡنَ ﴿۷﴾৪৪-৭ : যিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও উহাদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর প্রতিপালক, যদি তোমরা নিশ্চিত বিশ্বাসী হও।
আয়াত ৮তাফসীরসংরক্ষণلَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ يُحۡىٖ وَيُمِيۡتُؕ رَبُّكُمۡ وَرَبُّ اٰبَآٮِٕكُمُ الۡاَوَّلِيۡنَ ﴿۸﴾৪৪-৮ : তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই, তিনি জীবন দান করেন এবং তিনিই মৃত্যু ঘটান; তিনি তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদেরও প্রতিপালক।
আয়াত ৯তাফসীরসংরক্ষণبَلۡ هُمۡ فِىۡ شَكٍّ يَّلۡعَبُوۡنَ ﴿۹﴾৪৪-৯ : বস্তুত উহারা সন্দেহের বশবর্তী হইয়া হাসিঠাট্টা করিতেছে।
আয়াত ১০তাফসীরসংরক্ষণفَارۡتَقِبۡ يَوۡمَ تَاۡتِى السَّمَآءُ بِدُخَانٍ مُّبِيۡنٍۙ﴿۱۰﴾৪৪-১০ : অতএব তুমি অপেক্ষা কর সেই দিনের যেদিন স্পষ্ট ধূম্রাচ্ছন্ন হইবে আকাশ,
আয়াত ১১তাফসীরসংরক্ষণيَغۡشَى النَّاسَؕ هٰذَا عَذَابٌ اَلِيۡمٌ ﴿۱۱﴾৪৪-১১ : এবং উহা আবৃত করিয়া ফেলিবে মানব জাতিকে। ইহা হইবে মর্মন্তুদ শাস্তি।
আয়াত ১২তাফসীরসংরক্ষণرَبَّنَا اكۡشِفۡ عَنَّا الۡعَذَابَ اِنَّا مُؤۡمِنُوۡنَ ﴿۱۲﴾৪৪-১২ : তখন উহারা বলিবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক ! আমাদের হইতে শাস্তি দূর কর, অবশ্যই আমরা ঈমান আনিব।’
আয়াত ১৩তাফসীরসংরক্ষণاَنّٰى لَهُمُ الذِّكۡرٰى وَقَدۡ جَآءَهُمۡ رَسُوۡلٌ مُّبِيۡنٌۙ﴿۱۳﴾৪৪-১৩ : উহারা কী করিয়া উপদেশ গ্রহণ করিবে? উহাদের নিকট তো আসিয়াছে স্পষ্ট ব্যাখ্যাতা এক রাসূল ;
আয়াত ১৪তাফসীরসংরক্ষণثُمَّ تَوَلَّوۡا عَنۡهُ وَقَالُوۡا مُعَلَّمٌ مَّجۡنُوۡنٌۘ﴿۱۴﴾৪৪-১৪ : অতঃপর উহারা তাহাকে অমান্য করিয়া বলে, ‘সে শিক্ষাপ্রাপ্ত এক পাগল!’
আয়াত ১৫তাফসীরসংরক্ষণاِنَّا كَاشِفُوا الۡعَذَابِ قَلِيۡلًا اِنَّكُمۡ عَآٮِٕدُوۡنَۘ ﴿۱۵﴾৪৪-১৫ : আমি কিছু কালের জন্য শাস্তি রহিত করিব - তোমরা তো তোমাদের পূর্বাবস্থায় ফিরিয়া যাইবে।
আয়াত ১৬তাফসীরসংরক্ষণيَوۡمَ نَبۡطِشُ الۡبَطۡشَةَ الۡكُبۡـرٰىۚ اِنَّا مُنۡتَقِمُوۡنَ ﴿۱۶﴾৪৪-১৬ : যেদিন আমি তোমাদেরকে প্রবলভাবে পাকড়াও করিব, সেদিন নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে শাস্তি দিবই।
আয়াত ১৭তাফসীরসংরক্ষণوَلَقَدۡ فَتَنَّا قَبۡلَهُمۡ قَوۡمَ فِرۡعَوۡنَ وَ جَآءَهُمۡ رَسُوۡلٌ كَرِيۡمٌۙ﴿۱۷﴾৪৪-১৭ : ইহাদের পূর্বে আমি তো ফির‘আওন সম্প্রদায়কে পরীক্ষা করিয়াছিলাম এবং উহাদের নিকটও আসিয়াছিল এক সম্মানিত রাসূল,
আয়াত ১৮তাফসীরসংরক্ষণاَنۡ اَدُّوۡۤا اِلَىَّ عِبَادَ اللّٰهِؕ اِنِّىۡ لَـكُمۡ رَسُوۡلٌ اَمِيۡنٌۙ﴿۱۸﴾৪৪-১৮ : সে বলিল, আল্লাহ্র বান্দাদেরকে আমার নিকট প্রত্যর্পণ কর। আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।
আয়াত ১৯তাফসীরসংরক্ষণوَّاَنۡ لَّا تَعۡلُوۡا عَلَى اللّٰهِۚ اِنِّىۡۤ اٰتِيۡكُمۡ بِسُلۡطٰنٍ مُّبِيۡنٍۚ ﴿۱۹﴾৪৪-১৯ : ‘এবং তোমরা আল্লাহ্র বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করিও না, আমি তোমাদের নিকট উপস্থিত করিতেছি স্পষ্ট প্রমাণ।
আয়াত ২০তাফসীরসংরক্ষণوَاِنِّىۡ عُذۡتُ بِرَبِّىۡ وَرَبِّكُمۡ اَنۡ تَرۡجُمُوۡنِ ۚ ﴿۲۰﴾৪৪-২০ : ‘তোমরা যাহাতে আমাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করিতে না পার, তজ্জন্য আমি আমার প্রতিপালক ও তোমাদের প্রতিপালকের শরণ লইতেছি।
আয়াত ২১তাফসীরসংরক্ষণوَاِنۡ لَّمۡ تُؤۡمِنُوۡا لِىۡ فَاعۡتَزِلُوۡنِ ﴿۲۱﴾৪৪-২১ : ‘যদি তোমরা আমার কথায় বিশ্বাস স্থাপন না কর, তবে তোমরা আমার নিকট হইতে দূরে থাক।’
আয়াত ২২তাফসীরসংরক্ষণفَدَعَا رَبَّهٗۤ اَنَّ هٰۤؤُلَاۤءِ قَوۡمٌ مُّجۡرِمُوۡنَ﴿۲۲﴾৪৪-২২ : অতঃপর মূসা তাহার প্রতিপালকের নিকট নিবেদন করিল, ‘ইহারা তো এক অপরাধী সম্প্রদায়।’
আয়াত ২৩তাফসীরসংরক্ষণفَاَسۡرِ بِعِبَادِىۡ لَيۡلًا اِنَّكُمۡ مُّتَّبَعُوۡنَۙ ﴿۲۳﴾৪৪-২৩ : আমি বলিয়াছিলাম, ‘তুমি আমার বান্দাদেরকে লইয়া রজনীযোগে বাহির হইয়া পড়, তোমাদের পশ্চাদ্ধাবন করা হইবেই।’
আয়াত ২৪তাফসীরসংরক্ষণوَاتۡرُكِ الۡبَحۡرَ رَهۡوًاؕ اِنَّهُمۡ جُنۡدٌ مُّغۡرَقُوۡنَ ﴿۲۴﴾৪৪-২৪ : সমুদ্রকে স্থির থাকিতে দাও, উহারা এমন এক বাহিনী যাহা নিমজ্জিত হইবেই।
আয়াত ২৫তাফসীরসংরক্ষণكَمۡ تَرَكُوۡا مِنۡ جَنّٰتٍ وَّعُيُوۡنٍۙ﴿۲۵﴾৪৪-২৫ : উহারা পশ্চাতে রাখিয়া গিয়াছিল কত উদ্যান ও প্রস্রবণ;
আয়াত ২৬তাফসীরসংরক্ষণوَّزُرُوۡعٍ وَّمَقَامٍ كَرِيۡمٍۙ﴿۲۶﴾৪৪-২৬ : কত শস্যক্ষেত্র ও সুরম্য প্রাসোয়াদ,
আয়াত ২৭তাফসীরসংরক্ষণوَّنَعۡمَةٍ كَانُوۡا فِيۡهَا فٰكِهِيۡنَۙ﴿۲۷﴾৪৪-২৭ : কত বিলাস - উপকরণ, উহাতে তাহারা আনন্দ পাইত!
আয়াত ২৮তাফসীরসংরক্ষণكَذٰلِكَ وَاَوۡرَثۡنٰهَا قَوۡمًا اٰخَرِيۡنَ ﴿۲۸﴾৪৪-২৮ : এইরূপই ঘটিয়াছিল এবং আমি এই সমুদয়ের উত্তরাধিকারী করিয়াছিলাম ভিন্ন সম্প্রদায়কে।
আয়াত ২৯তাফসীরসংরক্ষণفَمَا بَكَتۡ عَلَيۡهِمُ السَّمَآءُ وَالۡاَرۡضُ وَمَا كَانُوۡا مُنۡظَرِيۡنَ﴿۲۹﴾৪৪-২৯ : আকাশ এবং পৃথিবী কেহই উহাদের জন্যে অশ্রুপাত করে নাই এবং উহাদেরকে অবকাশও দেওয়া হয় নাই।
আয়াত ৩০তাফসীরসংরক্ষণوَلَقَدۡ نَجَّيۡنَا بَنِىۡۤ اِسۡرَآءِيۡلَ مِنَ الۡعَذَابِ الۡمُهِيۡنِۙ ﴿۳۰﴾৪৪-৩০ : আমি তো উদ্ধার করিয়াছিলাম বনী ইসরাঈলকে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি হইতে
আয়াত ৩১তাফসীরসংরক্ষণمِنۡ فِرۡعَوۡنَؕ اِنَّهٗ كَانَ عَالِيًا مِّنَ الۡمُسۡرِفِيۡنَ ﴿۳۱﴾৪৪-৩১ : ফির‘আওনের; সে তো ছিল পরাক্রান্ত সীমালংঘনকারীদের মধ্যে।
আয়াত ৩২তাফসীরসংরক্ষণوَلَقَدِ اخۡتَرۡنٰهُمۡ عَلٰى عِلۡمٍ عَلَى الۡعٰلَمِيۡنَۚ﴿۳۲﴾৪৪-৩২ : আমি তো জানিয়া - শুনিয়াই উহাদেরকে বিশ্বে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়াছিলাম,
আয়াত ৩৩তাফসীরসংরক্ষণوَاٰتَيۡنٰهُمۡ مِّنَ الۡاٰيٰتِ مَا فِيۡهِ بَلٰٓؤٌا مُّبِيۡنٌ ﴿۳۳﴾৪৪-৩৩ : এবং উহাদেরকে দিয়াছিলাম নিদর্শনাবলী, যাহাতে ছিল সুস্পষ্ট পরীক্ষা;
আয়াত ৩৫তাফসীরসংরক্ষণاِنۡ هِىَ اِلَّا مَوۡتَتُنَا الۡاُوۡلٰى وَمَا نَحۡنُ بِمُنۡشَرِيۡنَ ﴿۳۵﴾৪৪-৩৫ : ‘আমাদের প্রথম মৃত্যু ব্যতীত আর কিছুই নাই এবং আমরা আর উত্থিত হইব না।
আয়াত ৩৬তাফসীরসংরক্ষণفَاۡتُوۡا بِاٰبَآٮِٕنَاۤ اِنۡ كُنۡتُمۡ صٰدِقِيۡنَ ﴿۳۶﴾৪৪-৩৬ : ‘অতএব তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে উপস্থিত কর।’
আয়াত ৩৭তাফসীরসংরক্ষণاَهُمۡ خَيۡرٌ اَمۡ قَوۡمُ تُبَّعٍۙ وَّ الَّذِيۡنَ مِنۡ قَبۡلِهِمۡؕ اَهۡلَكۡنٰهُمۡ اِنَّهُمۡ كَانُوۡا مُجۡرِمِيۡنَ ﴿۳۷﴾৪৪-৩৭ : শ্রেষ্ঠ কি উহারা, না তুব্বা সম্প্রদায় ও ইহাদের পূর্ববর্তীরা? আমি উহাদেরকে ধ্বংস করিয়াছিলাম, অবশ্যই উহারা ছিল অপরাধী।
আয়াত ৩৮তাফসীরসংরক্ষণوَمَا خَلَقۡنَا السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ وَمَا بَيۡنَهُمَا لٰعِبِيۡنَ ﴿۳۸﴾৪৪-৩৮ : আমি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের মধ্যে কোন কিছুই ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করি নাই;
আয়াত ৩৯তাফসীরসংরক্ষণمَا خَلَقۡنٰهُمَاۤ اِلَّا بِالۡحَقِّ وَلٰكِنَّ اَكۡثَرَهُمۡ لَا يَعۡلَمُوۡنَ ﴿۳۹﴾৪৪-৩৯ : আমি এই দুইটি অযথা সৃষ্টি করি নাই, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই ইহা জানে না।
আয়াত ৪০তাফসীরসংরক্ষণاِنَّ يَوۡمَ الۡفَصۡلِ مِيۡقَاتُهُمۡ اَجۡمَعِيۡنَۙ﴿۴۰﴾৪৪-৪০ : নিশ্চয় সকলের জন্য নির্ধারিত রহিয়াছে উহাদের বিচার দিবস।
আয়াত ৪১তাফসীরসংরক্ষণيَوۡمَ لَا يُغۡنِىۡ مَوۡلًى عَنۡ مَّوۡلًى شَيۡــًٔا وَّلَا هُمۡ يُنۡصَرُوۡنَۙ﴿۴۱﴾৪৪-৪১ : সেদিন এক বন্ধু অপর বন্ধুর কোন কাজে আসিবে না এবং উহারা সাহায্যও পাইবে না।
আয়াত ৪২তাফসীরসংরক্ষণاِلَّا مَنۡ رَّحِمَ اللّٰهُؕ اِنَّهٗ هُوَ الۡعَزِيۡزُ الرَّحِيۡمُ﴿۴۲﴾৪৪-৪২ : তবে আল্লাহ্ যাহার প্রতি দয়া করেন তাহার কথা স্বতন্ত্র। তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
আয়াত ৪৫তাফসীরসংরক্ষণكَالۡمُهۡلِ ۛۚ يَغۡلِىۡ فِى الۡبُطُوۡنِۙ ﴿۴۵﴾৪৪-৪৫ : গলিত তাম্রের মত, উহাদের উদরে ফুটিতে থাকিবে
আয়াত ৪৭তাফসীরসংরক্ষণخُذُوۡهُ فَاعۡتِلُوۡهُ اِلٰى سَوَآءِ الۡجَحِيۡمِ ۖ﴿۴۷﴾৪৪-৪৭ : উহাকে ধর এবং টানিয়া লইয়া যাও জাহান্নামের মধ্যস্থলে,
আয়াত ৪৮তাফসীরসংরক্ষণثُمَّ صُبُّوۡا فَوۡقَ رَاۡسِهٖ مِنۡ عَذَابِ الۡحَمِيۡمِؕ﴿۴۸﴾৪৪-৪৮ : অতঃপর উহার মস্তকের উপর ফুটন্ত পানি ঢালিয়া শাস্তি দাও -
আয়াত ৪৯তাফসীরসংরক্ষণذُقۡ ۖۚ اِنَّكَ اَنۡتَ الۡعَزِيۡزُ الۡكَرِيۡمُ ﴿۴۹﴾৪৪-৪৯ : এবং বলা হইবে ‘আস্বাদ গ্রহণ কর, তুমি তো ছিলে সম্মানিত, অভিজাত!
আয়াত ৫০তাফসীরসংরক্ষণاِنَّ هٰذَا مَا كُنۡتُمۡ بِهٖ تَمۡتَرُوۡنَ ﴿۵۰﴾৪৪-৫০ : ‘ইহা তো উহাই, যে বিষয়ে তোমরা সন্দেহ করিতে।’
আয়াত ৫১তাফসীরসংরক্ষণاِنَّ الۡمُتَّقِيۡنَ فِىۡ مَقَامٍ اَمِيۡنٍۙ﴿۵۱﴾৪৪-৫১ : মুত্তাকীরা তো থাকিবে নিরাপদ স্থানে -
আয়াত ৫৩তাফসীরসংরক্ষণيَّلۡبَسُوۡنَ مِنۡ سُنۡدُسٍ وَّاِسۡتَبۡرَقٍ مُّتَقٰبِلِيۡنَۚ ۙ﴿۵۳﴾৪৪-৫৩ : তাহারা পরিধান করিবে মিহি ও পুরু রেশমী বস্ত্র এবং মুখোমুখি হইয়া বসিবে।
আয়াত ৫৪তাফসীরসংরক্ষণكَذٰلِكَ وَزَوَّجۡنٰهُمۡ بِحُوۡرٍ عِيۡنٍؕ﴿۵۴﴾৪৪-৫৪ : এইরূপই ঘটিবে; আমি উহাদেরকে সঙ্গিনী দান করিব আয়তলোচনা হুর,
আয়াত ৫৫তাফসীরসংরক্ষণيَدۡعُوۡنَ فِيۡهَا بِكُلِّ فَاكِهَةٍ اٰمِنِيۡنَۙ﴿۵۵﴾৪৪-৫৫ : সেথায় তাহারা প্রশান্ত চিত্তে বিবিধ ফলমূল আনিতে বলিবে।
আয়াত ৫৬তাফসীরসংরক্ষণلَا يَذُوۡقُوۡنَ فِيۡهَا الۡمَوۡتَ اِلَّا الۡمَوۡتَةَ الۡاُوۡلٰى ۚ وَوَقٰٮهُمۡ عَذَابَ الۡجَحِيۡمِۙ﴿۵۶﴾৪৪-৫৬ : প্রথম মৃত্যুর পর তাহারা সেখানে আর মৃত্যু আস্বাদন করিবে না। আর তাহাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি হইতে রক্ষা করিবেন -
আয়াত ৫৭তাফসীরসংরক্ষণفَضۡلًا مِّنۡ رَّبِّكَ ؕ ذٰ لِكَ هُوَ الۡفَوۡزُ الۡعَظِيۡمُ ﴿۵۷﴾৪৪-৫৭ : তোমার প্রতিপালক নিজ অনুগ্রহে। ইহাই তো মহাসাফল্য।
আয়াত ৫৮তাফসীরসংরক্ষণفَاِنَّمَا يَسَّرۡنٰهُ بِلِسَانِكَ لَعَلَّهُمۡ يَتَذَكَّرُوۡنَ ﴿۵۸﴾৪৪-৫৮ : আমি তো তোমার ভাষায় কুরআনকে সহজ করিয়া দিয়াছি, যাহাতে উহারা উপদেশ গ্রহণ করে।
আয়াত ৫৯তাফসীরসংরক্ষণفَارۡتَقِبۡ اِنَّهُمۡ مُّرۡتَقِبُوۡنَ﴿۵۹﴾৪৪-৫৯ : সুতরাং তুমি প্রতীক্ষা কর, উহারাও প্রতীক্ষমাণ।