আয়াত ২তাফসীরসংরক্ষণبَلۡ عَجِبُوۡۤا اَنۡ جَآءَهُمۡ مُّنۡذِرٌ مِّنۡهُمۡ فَقَالَ الۡكٰفِرُوۡنَ هٰذَا شَىۡءٌ عَجِيۡبٌۚ ﴿۲﴾৫০-২ : বরং তাহারা বিস্ময় বোধ করে যে, উহাদের মধ্যে একজন সতর্ককারী আবির্ভূত হইয়াছে, আর কাফিররা বলে, ‘ইহা তো এক আশ্চর্য ব্যাপার !
আয়াত ৩তাফসীরসংরক্ষণءَاِذَا مِتۡنَا وَكُنَّا تُرَابًا ۚ ذٰ لِكَ رَجۡعٌ ۢ بَعِيۡدٌ﴿۳﴾৫০-৩ : ‘আমাদের মৃত্যু হইলে এবং আমরা মৃত্তিকায় পরিণত হইলে আমরা কি পুনরুত্থিত হইব? সুদূরপরাহত সেই প্রত্যাবর্তন।’
আয়াত ৪তাফসীরসংরক্ষণقَدۡ عَلِمۡنَا مَا تَنۡقُصُ الۡاَرۡضُ مِنۡهُمۡۚ وَعِنۡدَنَا كِتٰبٌ حَفِيۡظٌ ﴿۴﴾৫০-৪ : আমি তো জানি মৃত্তিকা ক্ষয় করে উহাদের কতটুকু এবং আমার নিকট আছে রক্ষিত কিতাব।
আয়াত ৫তাফসীরসংরক্ষণبَلۡ كَذَّبُوۡا بِالۡحَقِّ لَمَّا جَآءَهُمۡ فَهُمۡ فِىۡۤ اَمۡرٍ مَّرِيۡجٍ ﴿۵﴾৫০-৫ : বস্তুত উহাদের নিকট সত্য আসিবার পর উহারা তাহা প্রত্যাখ্যান করিয়াছে। ফলে, উহারা সংশয়ে দোদুল্যমান।
আয়াত ৬তাফসীরসংরক্ষণاَ فَلَمۡ يَنۡظُرُوۡۤا اِلَى السَّمَآءِ فَوۡقَهُمۡ كَيۡفَ بَنَيۡنٰهَا وَزَ يَّـنّٰهَا وَمَا لَهَا مِنۡ فُرُوۡجٍ﴿۶﴾৫০-৬ : উহারা কি উহাদের ঊর্ধ্বস্থিত আকাশের দিকে তাকাইয়া দেখে না, আমি কিভাবে উহা নির্মাণ করিয়াছি ও উহাকে সুশোভিত করিয়াছি এবং উহাতে কোন ফাটলও নাই?
আয়াত ৭তাফসীরসংরক্ষণوَالۡاَرۡضَ مَدَدۡنٰهَا وَاَ لۡقَيۡنَا فِيۡهَا رَوَاسِىَ وَاَنۡۢبَتۡنَا فِيۡهَا مِنۡ كُلِّ زَوۡجٍۢ بَهِيۡجٍ ۙ﴿۷﴾৫০-৭ : আমি বিস্তৃত করিয়াছি ভূমিকে ও তাহাতে স্থাপন করিয়াছি পর্বতমালা এবং উহাতে উদ্গত করিয়াছি নয়নপ্রীতিকর সর্বপ্রকার উদ্ভিদ,
আয়াত ৮তাফসীরসংরক্ষণتَبۡصِرَةً وَّذِكۡرٰى لِكُلِّ عَبۡدٍ مُّنِيۡبٍ ﴿۸﴾৫০-৮ : আল্লাহ্র অনুরাগী প্রত্যেক ব্যাক্তির জন্য জ্ঞান ও উপদেশস্বরূপ।
আয়াত ৯তাফসীরসংরক্ষণوَنَزَّلۡنَا مِنَ السَّمَآءِ مَآءً مُّبٰـرَكًا فَاَنۡۢبَـتۡـنَا بِهٖ جَنّٰتٍ وَّحَبَّ الۡحَصِيۡدِ ۙ﴿۹﴾৫০-৯ : আকাশ হইতে আমি বর্ষণ করি কল্যাণকর বৃষ্টি এবং তদ্দ্বারা আমি সৃষ্টি করি উদ্যান ও পরিপক্ব শস্যরাজি,
আয়াত ১০তাফসীরসংরক্ষণوَالنَّخۡلَ بٰسِقٰتٍ لَّهَا طَلۡـعٌ نَّضِيۡدٌ ۙ ﴿۱۰﴾৫০-১০ : ও সম্মুন্নত খর্জুর বৃক্ষ যাহাতে আছে গুচ্ছ গুচ্ছ খেজুর -
আয়াত ১১তাফসীরসংরক্ষণرِّزۡقًا لِّلۡعِبَادِ ۙ وَاَحۡيَيۡنَا بِهٖ بَلۡدَةً مَّيۡـتًا ؕ كَذٰلِكَ الۡخُـرُوۡجُ ﴿۱۱﴾৫০-১১ : আমার বান্দাদের জীবিকাস্বরূপ। বৃষ্টি দ্বারা আমি সঞ্জীবিত করি মৃত ভূমিকে ; এইভাবে উত্থান ঘটিবে।
আয়াত ১২তাফসীরসংরক্ষণكَذَّبَتۡ قَبۡلَهُمۡ قَوۡمُ نُوۡحٍ وَّاَصۡحٰبُ الرَّسِّ وَثَمُوۡدُۙ﴿۱۲﴾৫০-১২ : ইহাদের পূর্বেও সত্য প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল সূরা নূহের সম্প্রদায়, রাস্ ও সামূদ সম্প্রদায়,
আয়াত ১৩তাফসীরসংরক্ষণوَعَادٌ وَّفِرۡعَوۡنُ وَاِخۡوَانُ لُوۡطٍۙ﴿۱۳﴾৫০-১৩ : ‘আদ, ফির‘আওন ও লূত সম্প্রদায়
আয়াত ১৪তাফসীরসংরক্ষণوَّاَصۡحٰبُ الۡاَيۡكَةِ وَقَوۡمُ تُبَّعٍؕ كُلٌّ كَذَّبَ الرُّسُلَ فَحَقَّ وَعِيۡدِ ﴿۱۴﴾৫০-১৪ : এবং আয়কার অধিবাসী ও তুব্বা সম্প্রদায় ; উহারা সকলেই রাসূলগণকে মিথ্যাবাদী বলিয়াছিল, ফলে উহাদের উপর আমার শাস্তি আপতিত হইয়াছে।
আয়াত ১৫তাফসীরসংরক্ষণاَفَعَيِيۡنَا بِالۡخَـلۡقِ الۡاَوَّلِؕ بَلۡ هُمۡ فِىۡ لَبۡسٍ مِّنۡ خَلۡقٍ جَدِيۡدٍ ﴿۱۵﴾৫০-১৫ : আমি কি প্রথমবার সৃষ্টি করিয়াই ক্লান্ত হইয়া পড়িয়াছি ! বস্তুত পুনঃ সৃষ্টির বিষয়ে উহারা সন্দেহে পতিত।
আয়াত ১৬তাফসীরসংরক্ষণوَلَقَدۡ خَلَقۡنَا الۡاِنۡسَانَ وَنَعۡلَمُ مَا تُوَسۡوِسُ بِهٖ نَفۡسُهٗ ۖۚ وَنَحۡنُ اَقۡرَبُ اِلَيۡهِ مِنۡ حَبۡلِ الۡوَرِيۡدِ ﴿۱۶﴾৫০-১৬ : আমিই মানুষকে সৃষ্টি করিয়াছি এবং তাহার প্রবৃত্তি তাহাকে যে কুমন্ত্রণা দেয় তাহা আমি জানি। আমি তাহার গ্রীবাস্থিত ধমনী অপেক্ষাও নিকটতর।
আয়াত ১৭তাফসীরসংরক্ষণاِذۡ يَتَلَقَّى الۡمُتَلَقِّيٰنِ عَنِ الۡيَمِيۡنِ وَعَنِ الشِّمَالِ قَعِيۡدٌ ﴿۱۷﴾৫০-১৭ : স্মরণ রাখিও, ‘দুই গ্রহণকারী’ ফিরিশতা তাহার দক্ষিণে ও বামে বসিয়া তাহার কর্ম লিপিবদ্ধ করে ;
আয়াত ১৮তাফসীরসংরক্ষণمَا يَلۡفِظُ مِنۡ قَوۡلٍ اِلَّا لَدَيۡهِ رَقِيۡبٌ عَتِيۡدٌ ﴿۱۸﴾৫০-১৮ : মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করে তাহার জন্য তৎপর প্রহরী তাহার নিকটেই রহিয়াছে।
আয়াত ১৯তাফসীরসংরক্ষণوَ جَآءَتۡ سَكۡرَةُ الۡمَوۡتِ بِالۡحَـقِّؕ ذٰلِكَ مَا كُنۡتَ مِنۡهُ تَحِيۡدُ ﴿۱۹﴾৫০-১৯ : মৃত্যুযন্ত্রণা সত্যই আসিবে ; ইহা হইতেই তোমরা অব্যাহতি চাহিয়া আসিয়াছ।
আয়াত ২০তাফসীরসংরক্ষণوَنُفِخَ فِى الصُّوۡرِ ؕ ذٰ لِكَ يَوۡمُ الۡوَعِيۡدِ﴿۲۰﴾৫০-২০ : আর শিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হইবে, উহাই শাস্তির দিন।
আয়াত ২১তাফসীরসংরক্ষণوَجَآءَتۡ كُلُّ نَفۡسٍ مَّعَهَا سَآٮِٕقٌ وَّشَهِيۡدٌ ﴿۲۱﴾৫০-২১ : সেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি উপস্থিত হইবে, তাহার সঙ্গে থাকিবে চালক ও সাক্ষী।
আয়াত ২২তাফসীরসংরক্ষণلَقَدۡ كُنۡتَ فِىۡ غَفۡلَةٍ مِّنۡ هٰذَا فَكَشَفۡنَا عَنۡكَ غِطَآءَكَ فَبَصَرُكَ الۡيَوۡمَ حَدِيۡدٌ﴿۲۲﴾৫০-২২ : তুমি এই দিবস সম্বন্ধে উদাসীন ছিলে, এখন আমি তোমার সম্মুখ হইতে পর্দা উন্মোচন করিয়াছি। অদ্য তোমার দৃষ্টি প্রখর।
আয়াত ২৩তাফসীরসংরক্ষণوَقَالَ قَرِيۡـنُهٗ هٰذَا مَا لَدَىَّ عَتِيۡدٌ ؕ ﴿۲۳﴾৫০-২৩ : তাহার সঙ্গী ফিরিশ্তা বলিবে, ‘এই তো আমার নিকট ‘আমলনামা প্রস্তুত।’
আয়াত ২৪তাফসীরসংরক্ষণاَلۡقِيَا فِىۡ جَهَنَّمَ كُلَّ كَفَّارٍ عَنِيۡدٍۙ﴿۲۴﴾৫০-২৪ : আদেশ করা হইবে, তোমরা উভয়ে নিক্ষেপ কর জাহান্নামে প্রত্যেক উদ্ধত কাফিরকে -
আয়াত ২৫তাফসীরসংরক্ষণمَّنَّاعٍ لِّلۡخَيۡرِ مُعۡتَدٍ مُّرِيۡبِ ۙ﴿۲۵﴾৫০-২৫ : কল্যাণকর কাজে প্রবল বাধাদানকারী, সীমালংঘনকারী ও সন্দেহ পোষণকারী।
আয়াত ২৬তাফসীরসংরক্ষণاۨلَّذِىۡ جَعَلَ مَعَ اللّٰهِ اِلٰهًا اٰخَرَ فَاَ لۡقِيٰهُ فِى الۡعَذَابِ الشَّدِيۡدِ﴿۲۶﴾৫০-২৬ : যে ব্যাক্ত আল্লাহ্র সঙ্গে অন্য ইলাহ্ গ্রহণ করিত তাহাকে কঠিন শাস্তিতে নিক্ষেপ কর।
আয়াত ২৭তাফসীরসংরক্ষণقَالَ قَرِيۡنُهٗ رَبَّنَا مَاۤ اَطۡغَيۡتُهٗ وَلٰـكِنۡ كَانَ فِىۡ ضَلٰلٍۢ بَعِيۡدٍ ﴿۲۷﴾৫০-২৭ : তাহার সহচর শয়তান বলিবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমি তাহাকে অবাধ্য করি নাই। বস্তুত সে - ই ছিল ঘোর বিভ্রান্ত।
আয়াত ২৮তাফসীরসংরক্ষণقَالَ لَا تَخۡتَصِمُوۡا لَدَىَّ وَقَدۡ قَدَّمۡتُ اِلَيۡكُمۡ بِالۡوَعِيۡدِ ﴿۲۸﴾৫০-২৮ : আল্লাহ্ বলিবেন, ‘আমার সম্মুখে বাক - বিতণ্ডা করিও না; তোমাদেরকে আমি তো পূর্বেই সতর্ক করিয়াছি।
আয়াত ২৯তাফসীরসংরক্ষণمَا يُبَدَّلُ الۡقَوۡلُ لَدَىَّ وَمَاۤ اَنَا بِظَلَّامٍ لِّلۡعَبِيۡدِ ﴿۲۹﴾৫০-২৯ : ‘আমার কথার রদবদল হয় না এবং আমি আমার বান্দাদের প্রতি কোন অবিচার করি না।’
আয়াত ৩০তাফসীরসংরক্ষণيَوۡمَ نَـقُوۡلُ لِجَهَـنَّمَ هَلِ امۡتَلَـئْتِ وَتَقُوۡلُ هَلۡ مِنۡ مَّزِيۡدٍ ﴿۳۰﴾৫০-৩০ : সেই দিন আমি জাহান্নামকে জিজ্ঞাসা করিব, ‘তুমি কি পূর্ণ হইয়া গিয়াছ?’ জাহান্নাম বলিবে, ‘আরও আছে কি?’
আয়াত ৩১তাফসীরসংরক্ষণوَاُزۡلِفَتِ الۡجَـنَّةُ لِلۡمُتَّقِيۡنَ غَيۡرَ بَعِيۡدٍ ﴿۳۱﴾৫০-৩১ : আর জান্নাতকে নিকটস্থ করা হইবে মুত্তাকীদের - কোন দূরত্ব থাকিবে না।
আয়াত ৩২তাফসীরসংরক্ষণهٰذَا مَا تُوۡعَدُوۡنَ لِكُلِّ اَوَّابٍ حَفِيۡظٍۚ﴿۳۲﴾৫০-৩২ : ইহারই প্রতিশ্রুতি তোমাদেরকে দেওয়া হইয়াছিল - প্রত্যেক আল্লাহ্ - অভিমুখী, হিফাযতকারীর জন্য -
আয়াত ৩৩তাফসীরসংরক্ষণمَنۡ خَشِىَ الرَّحۡمٰنَ بِالۡغَيۡبِ وَجَآءَ بِقَلۡبٍ مُّنِيۡبِۙ﴿۳۳﴾৫০-৩৩ : যাহারা না দেখিয়া দয়াময় আল্লাহ্কে ভয় করে এবং বিনীত চিত্তে উপস্থিত হয় -
আয়াত ৩৪তাফসীরসংরক্ষণاۨدۡخُلُوۡهَا بِسَلٰمٍؕ ذٰلِكَ يَوۡمُ الۡخُلُوۡدِ ﴿۳۴﴾৫০-৩৪ : তাহাদেরকে বলা হইবে, ‘শান্তির সঙ্গে তোমরা উহাতে প্রবেশ কর; উহা অনন্ত জীবনের দিন।’
আয়াত ৩৫তাফসীরসংরক্ষণلَهُمۡ مَّا يَشَآءُوۡنَ فِيۡهَا وَلَدَيۡنَا مَزِيۡدٌ ﴿۳۵﴾৫০-৩৫ : এখানে তাহারা যাহা কামনা করিবে তাহাই পাইবে এবং আমার নিকট রহিয়াছে তাহারও অধিক।
আয়াত ৩৬তাফসীরসংরক্ষণوَكَمۡ اَهۡلَـكۡنَا قَبۡلَهُمۡ مِّنۡ قَرۡنٍ هُمۡ اَشَدُّ مِنۡهُمۡ بَطۡشًا فَنَقَّبُوۡا فِى الۡبِلَادِ ؕ هَلۡ مِنۡ مَّحِيۡصٍ﴿۳۶﴾৫০-৩৬ : আমি তাহাদের পূর্বে আরও কত মানবগোষ্ঠীকে ধ্বংস করিয়াছি যাহারা ছিল উহাদের অপেক্ষা শক্তিতে প্রবল, উহারা দেশে দেশে ঘুরিয়া বেড়াইত; উহাদের কোন পলায়নস্থল রহিল কি?
আয়াত ৩৭তাফসীরসংরক্ষণاِنَّ فِىۡ ذٰلِكَ لَذِكۡرٰى لِمَنۡ كَانَ لَهٗ قَلۡبٌ اَوۡ اَلۡقَى السَّمۡعَ وَهُوَ شَهِيۡدٌ ﴿۳۷﴾৫০-৩৭ : নিশ্চয়ই ইহাতে উপদেশ রহিয়াছে তাহার জন্য যাহার আছে অন্তঃকরণ অথবা যে শ্রবণ করে নিবিষ্ট চিত্তে।
আয়াত ৩৮তাফসীরসংরক্ষণوَلَقَدۡ خَلَقۡنَا السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ وَمَا بَيۡنَهُمَا فِىۡ سِتَّةِ اَيَّامٍۖ وَّمَا مَسَّنَا مِنۡ لُّغُوۡبٍ ﴿۳۸﴾৫০-৩৮ : আমি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছু সৃষ্টি করিয়াছি ছয় দিনে; আমাকে কোন ক্লান্তি স্পর্শ করে নাই।
আয়াত ৩৯তাফসীরসংরক্ষণفَاصۡبِرۡ عَلٰى مَا يَقُوۡلُوۡنَ وَسَبِّحۡ بِحَمۡدِ رَبِّكَ قَبۡلَ طُلُوۡعِ الشَّمۡسِ وَقَبۡلَ الۡغُرُوۡبِۚ﴿۳۹﴾৫০-৩৯ : অতএব উহারা যাহা বলে তাহাতে তুমি ধৈর্য ধারণ কর এবং তোমার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর সূর্যোদয়ের পূর্বে ও সূর্যাস্তের পূর্বে,
আয়াত ৪০তাফসীরসংরক্ষণوَمِنَ الَّيۡلِ فَسَبِّحۡهُ وَاَدۡبَارَ السُّجُوۡدِ ﴿۴۰﴾৫০-৪০ : তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর রাত্রির একাংশে এবং সালাতের পরেও।
আয়াত ৪১তাফসীরসংরক্ষণوَاسۡتَمِعۡ يَوۡمَ يُنَادِ الۡمُنَادِ مِنۡ مَّكَانٍ قَرِيۡبٍۙ﴿۴۱﴾৫০-৪১ : শোন, যেদিন এক ঘোষণাকারী নিকটবর্তী স্থান হইতে আহ্বান করিবে,
আয়াত ৪২তাফসীরসংরক্ষণيَوۡمَ يَسۡمَعُوۡنَ الصَّيۡحَةَ بِالۡحَـقِّ ؕ ذٰ لِكَ يَوۡمُ الۡخُـرُوۡجِ﴿۴۲﴾৫০-৪২ : যেদিন মানুষ অবশ্যই শুনিতে পাইবে মহানাদ, সেই দিনই বাহির হইবার দিন।
আয়াত ৪৩তাফসীরসংরক্ষণاِنَّا نَحۡنُ نُحۡىٖ وَنُمِيۡتُ وَاِلَيۡنَا الۡمَصِيۡرُۙ﴿۴۳﴾৫০-৪৩ : আমিই জীবন দান করি, মৃত্যু ঘটাই এবং সকলের প্রত্যাবর্তন আমারই দিকে।
আয়াত ৪৪তাফসীরসংরক্ষণيَوۡمَ تَشَقَّقُ الۡاَرۡضُ عَنۡهُمۡ سِرَاعًا ؕ ذٰ لِكَ حَشۡرٌ عَلَيۡنَا يَسِيۡرٌ﴿۴۴﴾৫০-৪৪ : যেদিন তাহাদের উপরস্থ যমীন বিদীর্ণ হইবে এবং মানুষ ত্রস্ত - ব্যস্ত হইয়া ছুটাছুটি করিবে, এই সমবেত সমাবেশকরণ আমার জন্য সহজ।
আয়াত ৪৫তাফসীরসংরক্ষণنَحۡنُ اَعۡلَمُ بِمَا يَقُوۡلُوۡنَ وَمَاۤ اَنۡتَ عَلَيۡهِمۡ بِجَـبَّارٍ فَذَكِّرۡ بِالۡقُرۡاٰنِ مَنۡ يَّخَافُ وَعِيۡدِ ﴿۴۵﴾৫০-৪৫ : উহারা যাহা বলে তাহা আমি জানি, তুমি উহাদের উপর জবরদস্তিকারী নও, সুতরাং যে আমার শাস্তিকে ভয় করে তাহাকে উপদেশ দান কর কুরআনের সাহায্যে।