আয়াত ৫তাফসীরসংরক্ষণاِنَّمَا تُوۡعَدُوۡنَ لَصَادِقٌ ۙ﴿۵﴾৫১-৫ : তোমাদেরকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অবশ্যই সত্য।
আয়াত ৮তাফসীরসংরক্ষণاِنَّـكُمۡ لَفِىۡ قَوۡلٍ مُّخۡتَلِفٍ ۙ﴿۸﴾৫১-৮ : তোমরা তো পরস্পর বিরোধী কথায় লিপ্ত।
আয়াত ৯তাফসীরসংরক্ষণيُّـؤۡفَكُ عَنۡهُ مَنۡ اُفِكَ ؕ﴿۹﴾৫১-৯ : যে ব্যক্তি সত্যভ্রষ্ট সে - ই উহা পরিত্যাগ করে,
আয়াত ১২তাফসীরসংরক্ষণيَسۡـَٔــلُوۡنَ اَيَّانَ يَوۡمُ الدِّيۡنِؕ﴿۱۲﴾৫১-১২ : উহারা জিজ্ঞাসা করে, ‘কর্মফল দিবস কবে হইবে?’
আয়াত ১৩তাফসীরসংরক্ষণيَوۡمَ هُمۡ عَلَى النَّارِ يُفۡتَنُوۡنَ ﴿۱۳﴾৫১-১৩ : বল, ‘সেই দিন যখন উহাদেরকে শাস্তি দেওয়া হইবে অগ্নিতে।’
আয়াত ১৪তাফসীরসংরক্ষণذُوۡقُوۡا فِتۡنَتَكُمۡؕ هٰذَا الَّذِىۡ كُنۡتُمۡ بِهٖ تَسۡتَعۡجِلُوۡنَ ﴿۱۴﴾৫১-১৪ : ‘তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর, তোমরা এই শাস্তিই ত্বরান্বিত করিতে চাহিয়াছিলে।’
আয়াত ১৫তাফসীরসংরক্ষণاِنَّ الۡمُتَّقِيۡنَ فِىۡ جَنّٰتٍ وَّعُيُوۡنٍۙ﴿۱۵﴾৫১-১৫ : সেদিন নিশ্চয়ই মুত্তাকীরা থাকিবে প্রস্রবণ - বিশিষ্ট জান্নাতে,
আয়াত ১৬তাফসীরসংরক্ষণاٰخِذِيۡنَ مَاۤ اٰتٰٮهُمۡ رَبُّهُمۡؕ اِنَّهُمۡ كَانُوۡا قَبۡلَ ذٰلِكَ مُحۡسِنِيۡنَؕ﴿۱۶﴾৫১-১৬ : উপভোগ করিবে তাহা যাহা তাহাদের প্রতিপালক তাহাদেরকে দিবেন; কারণ পার্থিব জীবনে তাহারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ,
আয়াত ১৭তাফসীরসংরক্ষণكَانُوۡا قَلِيۡلًا مِّنَ الَّيۡلِ مَا يَهۡجَعُوۡنَ ﴿۱۷﴾৫১-১৭ : তাহারা রাত্রির সামান্য অংশই অতিবাহিত করিত নিদ্রায়,
আয়াত ১৮তাফসীরসংরক্ষণوَبِالۡاَسۡحَارِ هُمۡ يَسۡتَغۡفِرُوۡنَ ﴿۱۸﴾৫১-১৮ : রাত্রির শেষ প্রহরে তাহারা ক্ষমা প্রার্থনা করিত,
আয়াত ১৯তাফসীরসংরক্ষণوَفِىۡۤ اَمۡوَالِهِمۡ حَقٌّ لِّلسَّآٮِٕلِ وَالۡمَحۡرُوۡمِ ﴿۱۹﴾৫১-১৯ : এবং তাহাদের ধন - সম্পদে রহিয়াছে অভাবগ্রস্ত ও বঞ্চিতের হক।
আয়াত ২০তাফসীরসংরক্ষণوَفِى الۡاَرۡضِ اٰيٰتٌ لِّلۡمُوۡقِنِيۡنَۙ ﴿۲۰﴾৫১-২০ : নিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্য নিদর্শন রহিয়াছে ধরিত্রীতে
আয়াত ২১তাফসীরসংরক্ষণوَفِىۡۤ اَنۡفُسِكُمۡؕ اَفَلَا تُبۡصِرُوۡنَ ﴿۲۱﴾৫১-২১ : এবং তোমাদের মধ্যেও। তোমরা কি অনুধাবন করিবে না?
আয়াত ২২তাফসীরসংরক্ষণوَفِى السَّمَآءِ رِزۡقُكُمۡ وَمَا تُوۡعَدُوۡنَ ﴿۲۲﴾৫১-২২ : আকাশে রহিয়াছে তোমাদের রিযিক ও প্রতিশ্রুতি সমস্ত কিছু।
আয়াত ২৩তাফসীরসংরক্ষণفَوَرَبِّ السَّمَآءِ وَالۡاَرۡضِ اِنَّهٗ لَحَـقٌّ مِّثۡلَ مَاۤ اَنَّكُمۡ تَنۡطِقُوۡنَ ﴿۲۳﴾৫১-২৩ : আকাশ ও পৃথিবীর প্রতিপালকের শপথ! অবশ্যই তোমাদের বাক্স্ফূর্তির মতই এই সকল সত্য।
আয়াত ২৪তাফসীরসংরক্ষণهَلۡ اَتٰٮكَ حَدِيۡثُ ضَيۡفِ اِبۡرٰهِيۡمَ الۡمُكۡرَمِيۡنَۘ﴿۲۴﴾৫১-২৪ : তোমার নিকট ইব্রাহীমের সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত আসিয়াছে কি?
আয়াত ২৫তাফসীরসংরক্ষণاِذۡ دَخَلُوۡا عَلَيۡهِ فَقَالُوۡا سَلٰمًاؕ قَالَ سَلٰمٌ ۚ قَوۡمٌ مُّنۡكَرُوۡنَ ﴿۲۵﴾৫১-২৫ : যখন উহারা তাহার নিকট উপস্থিত হইয়া বলিল, ‘সালাম’। উত্তরে সে বলিল,‘সালাম’। ইহারা তো অপরিচিত লোক।
আয়াত ২৬তাফসীরসংরক্ষণفَرَاغَ اِلٰٓى اَهۡلِهٖ فَجَآءَ بِعِجۡلٍ سَمِيۡنٍۙ﴿۲۶﴾৫১-২৬ : অতঃপর ইব্রাহীম তাহার স্ত্রীর নিকট গেল এবং একটি মাংসল গো - বৎস ভাজা লইয়া আসিল
আয়াত ২৭তাফসীরসংরক্ষণفَقَرَّبَهٗۤ اِلَيۡهِمۡ قَالَ اَلَا تَاۡكُلُوۡنَ﴿۲۷﴾৫১-২৭ : ও তাহাদের সামনে রাখিল এবং বলিল, ‘তোমরা খাইতেছ না কেন?’
আয়াত ২৮তাফসীরসংরক্ষণفَاَوۡجَسَ مِنۡهُمۡ خِيۡفَةً ؕ قَالُوۡا لَا تَخَفۡ ؕ وَبَشَّرُوۡهُ بِغُلٰمٍ عَلِيۡمٍ ﴿۲۸﴾৫১-২৮ : ইহাতে উহাদের সম্পর্কে তাহার মনে ভীতির সঞ্চার হইল। উহারা বলিল, ‘ভীত হইও না।’ অতঃপর উহারা তাহাকে এক জ্ঞানী পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল।
আয়াত ২৯তাফসীরসংরক্ষণفَاَقۡبَلَتِ امۡرَاَتُهٗ فِىۡ صَرَّةٍ فَصَكَّتۡ وَجۡهَهَا وَقَالَتۡ عَجُوۡزٌ عَقِيۡمٌ ﴿۲۹﴾৫১-২৯ : তখন তাহার স্ত্রী চিৎকার করিতে করিতে সম্মুখে আসিল এবং গাল চাপড়াইয়া বলিল, ‘এই বৃদ্ধ - বন্ধ্যার সন্তান হইবে!’
আয়াত ৩০তাফসীরসংরক্ষণقَالُوۡا كَذٰلِكِ ۙ قَالَ رَبُّكِؕ اِنَّهٗ هُوَ الۡحَكِيۡمُ الۡعَلِيۡمُ ﴿۳۰﴾৫১-৩০ : তাহারা বলিল, ‘তোমার প্রতিপালক এইরূপই বলিয়াছেন ; তিনিই প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।’
আয়াত ৩১তাফসীরসংরক্ষণقَالَ فَمَا خَطۡبُكُمۡ اَيُّهَا الۡمُرۡسَلُوۡنَ ﴿۳۱﴾৫১-৩১ : ইব্রাহীম বলিল, ‘হে ফিরিশ্তাগণ! তোমাদের বিশেষ কাজ কী?’
আয়াত ৩২তাফসীরসংরক্ষণقَالُـوۡۤا اِنَّاۤ اُرۡسِلۡنَاۤ اِلٰى قَوۡمٍ مُّجۡرِمِيۡنَۙ﴿۳۲﴾৫১-৩২ : উহারা বলিল, ‘আমাদেরকে এক অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরণ করা হইয়াছে।
আয়াত ৩৩তাফসীরসংরক্ষণلِنُرۡسِلَ عَلَيۡهِمۡ حِجَارَةً مِّنۡ طِيۡنٍۙ﴿۳۳﴾৫১-৩৩ : ‘উহাদের উপর নিক্ষেপ করিবার জন্য মাটির শক্ত ঢেলা,
আয়াত ৩৪তাফসীরসংরক্ষণمُّسَوَّمَةً عِنۡدَ رَبِّكَ لِلۡمُسۡرِفِيۡنَ ﴿۳۴﴾৫১-৩৪ : ‘যাহা সীমালংঘনকারীদের জন্য চিহ্নিত তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে।’
আয়াত ৩৫তাফসীরসংরক্ষণفَاَخۡرَجۡنَا مَنۡ كَانَ فِيۡهَا مِنَ الۡمُؤۡمِنِيۡنَۚ﴿۳۵﴾৫১-৩৫ : সেখানে যেসব মু’মিন ছিল আমি তাহাদেরকে উদ্ধার করিয়াছিলাম,
আয়াত ৩৬তাফসীরসংরক্ষণفَمَا وَجَدۡنَا فِيۡهَا غَيۡرَ بَيۡتٍ مِّنَ الۡمُسۡلِمِيۡنَۚ﴿۳۶﴾৫১-৩৬ : আর সেখানে আমি একটি পরিবার ব্যতীত কোন আত্মসর্মপণকারী পাই নাই।
আয়াত ৩৭তাফসীরসংরক্ষণوَتَرَكۡنَا فِيۡهَاۤ اٰيَةً لِّـلَّذِيۡنَ يَخَافُوۡنَ الۡعَذَابَ الۡاَلِيۡمَؕ﴿۳۷﴾৫১-৩৭ : যাহারা মর্মন্তুদ শাস্তিকে ভয় করে আমি তাহাদের জন্য উহাতে একটি নিদর্শন রাখিয়াছি।
আয়াত ৩৮তাফসীরসংরক্ষণوَفِىۡ مُوۡسٰۤی اِذۡ اَرۡسَلۡنٰهُ اِلٰى فِرۡعَوۡنَ بِسُلۡطٰنٍ مُّبِيۡنٍ ﴿۳۸﴾৫১-৩৮ : এবং নিদর্শন রাখিয়াছি মূসার বৃত্তান্তে, যখন আমি তাহাকে স্পষ্ট প্রমাণসহ ফির‘আওনের নিকট প্রেরণ করিয়া - ছিলাম,
আয়াত ৩৯তাফসীরসংরক্ষণفَتَوَلّٰى بِرُكۡنِهٖ وَقَالَ سٰحِرٌ اَوۡ مَجۡنُوۡنٌ ﴿۳۹﴾৫১-৩৯ : তখন সে ক্ষমতার দম্ভে মুখ ফিরাইয়া লইল এবং বলিল, ‘এই ব্যক্তি হয় এক জাদুকর, না হয় এক উন্মাদ।
আয়াত ৪০তাফসীরসংরক্ষণفَاَخَذۡنٰهُ وَجُنُوۡدَهٗ فَنَبَذۡنٰهُمۡ فِى الۡيَمِّ وَهُوَ مُلِيۡمٌؕ ﴿۴۰﴾৫১-৪০ : সুতরাং আমি তাহাকে ও তাহার দলবলকে শাস্তি দিলাম এবং উহাদের সমুদ্রে নিক্ষেপ করিলাম, সে তো ছিল তিরস্কারযোগ্য।
আয়াত ৪১তাফসীরসংরক্ষণوَفِىۡ عَادٍ اِذۡ اَرۡسَلۡنَا عَلَيۡهِمُ الرِّيۡحَ الۡعَقِيۡمَۚ﴿۴۱﴾৫১-৪১ : এবং নিদর্শন রহিয়াছে ‘আদের ঘটনায়, যখন আমি তাহাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করিয়াছিলাম অকল্যাণকর বায়ু ;
আয়াত ৪২তাফসীরসংরক্ষণمَا تَذَرُ مِنۡ شَىۡءٍ اَتَتۡ عَلَيۡهِ اِلَّا جَعَلَتۡهُ كَالرَّمِيۡمِؕ﴿۴۲﴾৫১-৪২ : ইহা যাহা কিছুর উপর দিয়া বহিয়া গিয়াছিল তাহাকেই চূর্ণ - বিচূর্ণ করিয়া দিয়াছিল,
আয়াত ৪৩তাফসীরসংরক্ষণوَفِىۡ ثَمُوۡدَ اِذۡ قِيۡلَ لَهُمۡ تَمَتَّعُوۡا حَتّٰى حِيۡنٍ ﴿۴۳﴾৫১-৪৩ : আরও নিদর্শন রহিয়াছে সামূদের বৃত্তান্তে, যখন তাহাদেরকে বলা হইয়াছিল, ‘ভোগ করিয়া নাও স্বল্পকাল।’
আয়াত ৪৪তাফসীরসংরক্ষণفَعَتَوۡا عَنۡ اَمۡرِ رَبِّهِمۡ فَاَخَذَتۡهُمُ الصّٰعِقَةُ وَ هُمۡ يَنۡظُرُوۡنَ ﴿۴۴﴾৫১-৪৪ : কিন্তু উহারা উহাদের প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করিল ; ফলে উহাদের প্রতি বজ্রাঘাত হইল এবং উহারা উহা দেখিতেছিল।
আয়াত ৪৫তাফসীরসংরক্ষণفَمَا اسۡتَطَاعُوۡا مِنۡ قِيَامٍ وَّمَا كَانُوۡا مُنۡتَصِرِيۡنَۙ﴿۴۵﴾৫১-৪৫ : উহারা উঠিয়া দাঁড়াইতে পারিল না এবং উহা প্রতিরোধ করিতেও পারিল না।
আয়াত ৪৬তাফসীরসংরক্ষণوَقَوۡمَ نُوۡحٍ مِّنۡ قَبۡلُؕ اِنَّهُمۡ كَانُوۡا قَوۡمًا فٰسِقِيۡنَ﴿۴۶﴾৫১-৪৬ : আমি ধ্বংস করিয়াছিলাম ইহাদের পূর্বে সূরা নূহের সম্প্রদায়কে, ইহারা তো ছিল সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।
আয়াত ৪৭তাফসীরসংরক্ষণوَ السَّمَآءَ بَنَيۡنٰهَا بِاَيۡٮدٍ وَّاِنَّا لَمُوۡسِعُوۡنَ ﴿۴۷﴾৫১-৪৭ : আমি আকাশ নির্মাণ করিয়াছি আমার ক্ষমতাবলে এবং আমি অবশ্যই মহা - সম্প্রসারণকারী।
আয়াত ৪৮তাফসীরসংরক্ষণوَالۡاَرۡضَ فَرَشۡنٰهَا فَنِعۡمَ الۡمٰهِدُوۡنَ ﴿۴۸﴾৫১-৪৮ : আর ভূমি, আমি উহাকে বিছাইয়া দিয়াছি, আমি কত সুন্দর প্রসারণকারী!
আয়াত ৪৯তাফসীরসংরক্ষণوَمِنۡ كُلِّ شَىۡءٍ خَلَقۡنَا زَوۡجَيۡنِ لَعَلَّكُمۡ تَذَكَّرُوۡنَ ﴿۴۹﴾৫১-৪৯ : আর প্রত্যেক বস্তু আমি সৃষ্টি করিয়াছি জোড়ায় জোড়ায়, যাহাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।
আয়াত ৫০তাফসীরসংরক্ষণفَفِرُّوۡۤا اِلَى اللّٰهِؕ اِنِّىۡ لَـكُمۡ مِّنۡهُ نَذِيۡرٌ مُّبِيۡنٌۚ﴿۵۰﴾৫১-৫০ : অতএব তোমরা আল্লাহ্র দিকে ধাবিত হও, আমি তো তোমাদের প্রতি আল্লাহ্ - প্রেরিত স্পষ্ট সতর্ককারী।
আয়াত ৫১তাফসীরসংরক্ষণوَلَا تَجۡعَلُوۡا مَعَ اللّٰهِ اِلٰهًا اٰخَرَؕ اِنِّىۡ لَـكُمۡ مِّنۡهُ نَذِيۡرٌ مُّبِيۡنٌۚ﴿۵۱﴾৫১-৫১ : তোমরা আল্লাহ্র সঙ্গে কোন ইলাহ্ স্থির করিও না; আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহ্ - প্রেরিত স্পষ্ট সতর্ককারী।
আয়াত ৫২তাফসীরসংরক্ষণكَذٰلِكَ مَاۤ اَتَى الَّذِيۡنَ مِنۡ قَبۡلِهِمۡ مِّنۡ رَّسُوۡلٍ اِلَّا قَالُوۡا سَاحِرٌ اَوۡ مَجۡنُوۡنٌۚ﴿۵۲﴾৫১-৫২ : এইভাবে উহাদের পূর্ববর্তীদের নিকট যখনই কোন রাসূল আসিয়াছে উহারা তাহাকে বলিয়াছে, ‘তুমি তো এক জাদুকর, না হয় এক উন্মাদ!’
আয়াত ৫৩তাফসীরসংরক্ষণاَتَوَاصَوۡا بِهٖۚ بَلۡ هُمۡ قَوۡمٌ طَاغُوۡنَۚ﴿۵۳﴾৫১-৫৩ : উহারা কি একে অপরকে এই যন্ত্রণাই দিয়া আসিয়াছে? বস্তুত উহারা সীমা - লংঘনকারী সম্প্রদায়।
আয়াত ৫৪তাফসীরসংরক্ষণفَتَوَلَّ عَنۡهُمۡ فَمَاۤ اَنۡتَ بِمَلُوۡمٍ﴿۵۴﴾৫১-৫৪ : অতএব তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর, ইহাতে তুমি অভিযুক্ত হইবে না।
আয়াত ৫৫তাফসীরসংরক্ষণوَّذَكِّرۡ فَاِنَّ الذِّكۡرٰى تَنۡفَعُ الۡمُؤۡمِنِيۡنَ ﴿۵۵﴾৫১-৫৫ : তুমি উপদেশ দিতে থাক, কারণ উপদেশ মু’মিনদেরই উপকারে আসে।
আয়াত ৫৬তাফসীরসংরক্ষণوَمَا خَلَقۡتُ الۡجِنَّ وَالۡاِنۡسَ اِلَّا لِيَعۡبُدُوۡنِ ﴿۵۶﴾৫১-৫৬ : আমি সৃষ্টি করিয়াছি আল জিন এবং মানুষকে এইজন্য যে, তাহারা আমারই ‘ইবাদত করিবে।
আয়াত ৫৭তাফসীরসংরক্ষণمَاۤ اُرِيۡدُ مِنۡهُمۡ مِّنۡ رِّزۡقٍ وَّمَاۤ اُرِيۡدُ اَنۡ يُّطۡعِمُوۡنِ ﴿۵۷﴾৫১-৫৭ : আমি উহাদের নিকট হইতে জীবিকা চাহি না এবং ইহাও চাহি না যে, উহারা আমার আহার্য যোগাইবে।
আয়াত ৫৮তাফসীরসংরক্ষণاِنَّ اللّٰهَ هُوَ الرَّزَّاقُ ذُو الۡقُوَّةِ الۡمَتِيۡنُ ﴿۵۸﴾৫১-৫৮ : আল্লাহ্ই তো রিযিক দান করেন এবং তিনি প্রবল, পরাক্রান্ত।
আয়াত ৫৯তাফসীরসংরক্ষণفَاِنَّ لِلَّذِيۡنَ ظَلَمُوۡا ذَنُوۡبًا مِّثۡلَ ذَنُوۡبِ اَصۡحٰبِهِمۡ فَلَا يَسۡتَعۡجِلُوۡنِ ﴿۵۹﴾৫১-৫৯ : জালিমদের প্রাপ্য তাহাই যাহা অতীতে উহাদের সমমতাবলম্বীরা ভোগ করিয়াছে। সুতরাং উহারা ইহার জন্য আমার নিকট যেন ত্বরা না করে।
আয়াত ৬০তাফসীরসংরক্ষণفَوَيۡلٌ لِّـلَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا مِنۡ يَّوۡمِهِمُ الَّذِىۡ يُوۡعَدُوۡنَ ﴿۶۰﴾৫১-৬০ : কাফিরদের জন্য দুর্ভোগ তাহাদের সেই দিনের, যেই দিনের বিষয়ে উহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছে।