আয়াত ৬তাফসীরসংরক্ষণيَوۡمَ تَرۡجُفُ الرَّاجِفَةُ ۙ﴿۶﴾৭৯-৬ : সেই দিন প্রথম শিংগাধ্বনি প্রকম্পিত করিবে,
আয়াত ১০তাফসীরসংরক্ষণيَقُوۡلُوۡنَ ءَاِنَّا لَمَرۡدُوۡدُوۡنَ فِى الۡحَـافِرَةِ ؕ﴿۱۰﴾৭৯-১০ : তাহারা বলে, ‘আমরা কি পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হইবই -
আয়াত ১২তাফসীরসংরক্ষণقَالُوۡا تِلۡكَ اِذًا كَرَّةٌ خَاسِرَةٌ ۘ﴿۱۲﴾৭৯-১২ : তাহারা বলে, ‘তাহাই যদি হয় তবে তো ইহা সর্বনাশা প্রত্যাবর্তন।’
আয়াত ১৫তাফসীরসংরক্ষণهَلۡ اَتٰٮكَ حَدِيۡثُ مُوۡسٰىۘ﴿۱۵﴾৭৯-১৫ : তোমার নিকট মূসার বৃত্তান্ত পৌঁছিয়াছে কি?
আয়াত ১৬তাফসীরসংরক্ষণاِذۡ نَادٰٮهُ رَبُّهٗ بِالۡوَادِ الۡمُقَدَّسِ طُوًىۚ﴿۱۶﴾৭৯-১৬ : যখন তাহার প্রতিপালক পবিত্র উপত্যকা তুওয়া - য় তাহাকে আহ্বান করিয়া বলিয়াছিলেন,
আয়াত ১৭তাফসীরসংরক্ষণاِذۡهَبۡ اِلٰى فِرۡعَوۡنَ اِنَّهٗ طَغٰى ۖ﴿۱۷﴾৭৯-১৭ : ‘ফির‘আওনের নিকট যাও, সে তো সীমালংঘন করিয়াছে,’
আয়াত ১৮তাফসীরসংরক্ষণفَقُلۡ هَلۡ لَّكَ اِلٰٓى اَنۡ تَزَكّٰى ۙ﴿۱۸﴾৭৯-১৮ : এবং বল, ‘তোমার কি আগ্রহ আছে যে, তুমি পবিত্র হও -
আয়াত ১৯তাফসীরসংরক্ষণوَاَهۡدِيَكَ اِلٰى رَبِّكَ فَتَخۡشٰىۚ﴿۱۹﴾৭৯-১৯ : ‘আর আমি তোমাকে তোমার প্রতিপালকের দিকে পথপ্রদর্শন করি যাহাতে তুমি তাঁহাকে ভয় কর?’
আয়াত ২০তাফসীরসংরক্ষণفَاَرٰٮهُ الۡاٰيَةَ الۡكُبۡرٰى ۖ﴿۲۰﴾৭৯-২০ : অতঃপর সে উহাকে মহানিদর্শন দেখাইল।
আয়াত ২২তাফসীরসংরক্ষণثُمَّ اَدۡبَرَ يَسۡعٰىۖ﴿۲۲﴾৭৯-২২ : অতঃপর সে পশ্চাৎ ফিরিয়া প্রতিবিধানে সচেষ্ট হইল।
আয়াত ২৩তাফসীরসংরক্ষণفَحَشَرَ فَنَادٰىۖ﴿۲۳﴾৭৯-২৩ : সে সকলকে সমবেত করিল এবং উচ্চৈ:স্বরে ঘোষণা করিল,
আয়াত ২৪তাফসীরসংরক্ষণفَقَالَ اَنَا رَبُّكُمُ الۡاَعۡلٰى ۖ﴿۲۴﴾৭৯-২৪ : আর বলিল, ‘আমিই তোমাদের শ্রেষ্ঠ প্রতিপালক।’
আয়াত ২৫তাফসীরসংরক্ষণفَاَخَذَهُ اللّٰهُ نَڪَالَ الۡاٰخِرَةِ وَالۡاُوۡلٰى ؕ﴿۲۵﴾৭৯-২৫ : অতঃপর আল্লাহ্ উহাকে আখিরাতে ও দুনিয়াতে কঠিন শাস্তিতে পাকড়াও করিলেন।
আয়াত ২৬তাফসীরসংরক্ষণاِنَّ فِىۡ ذٰلِكَ لَعِبۡرَةً لِّمَنۡ يَّخۡشٰىؕ﴿۲۶﴾৭৯-২৬ : যে ভয় করে তাহার জন্য অবশ্যই ইহাতে শিক্ষা রহিয়াছে।
আয়াত ২৭তাফসীরসংরক্ষণءَاَنۡتُمۡ اَشَدُّ خَلۡقًا اَمِ السَّمَآءُ ؕ بَنٰٮهَا﴿۲۷﴾৭৯-২৭ : তোমাদেরকে সৃষ্টি করা কঠিনতর, না আকাশ সৃষ্টি? তিনিই ইহা নির্মাণ করিয়াছেন;
আয়াত ২৮তাফসীরসংরক্ষণرَفَعَ سَمۡكَهَا فَسَوَّٮهَا ۙ﴿۲۸﴾৭৯-২৮ : তিনি ইহার ছাদকে সুউচ্চ করিয়াছেন ও সুবিন্যস্ত করিয়াছেন।
আয়াত ২৯তাফসীরসংরক্ষণوَ اَغۡطَشَ لَيۡلَهَا وَاَخۡرَجَ ضُحٰٮهَا﴿۲۹﴾৭৯-২৯ : আর তিনি ইহার রাত্রিকে করিয়াছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং প্রকাশ করিয়াছেন ইহার সূর্যালোক;
আয়াত ৩০তাফসীরসংরক্ষণوَالۡاَرۡضَ بَعۡدَ ذٰلِكَ دَحٰٮهَا ؕ﴿۳۰﴾৭৯-৩০ : এবং পৃথিবীকে ইহার পর বিস্তৃত করিয়াছেন।
আয়াত ৩১তাফসীরসংরক্ষণاَخۡرَجَ مِنۡهَا مَآءَهَا وَمَرۡعٰٮهَا﴿۳۱﴾৭৯-৩১ : তিনি উহা হইতে বহির্গত করিয়াছেন উহার পানি ও তৃণ,
আয়াত ৩২তাফসীরসংরক্ষণوَالۡجِبَالَ اَرۡسٰٮهَا ۙ﴿۳۲﴾৭৯-৩২ : এবং পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রোথিত করিয়াছেন;
আয়াত ৩৩তাফসীরসংরক্ষণمَتَاعًا لَّـكُمۡ وَلِاَنۡعَامِكُمۡؕ﴿۳۳﴾৭৯-৩৩ : এই সমস্ত তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুদের ভোগের জন্য।
আয়াত ৩৪তাফসীরসংরক্ষণفَاِذَا جَآءَتِ الطَّآمَّةُ الۡكُبۡرٰى ۖ﴿۳۴﴾৭৯-৩৪ : অতঃপর যখন মহাসংকট উপস্থিত হইবে
আয়াত ৩৫তাফসীরসংরক্ষণيَوۡمَ يَتَذَكَّرُ الۡاِنۡسَانُ مَا سَعٰىۙ﴿۳۵﴾৭৯-৩৫ : মানুষ যাহা করিয়াছে তাহা সে সেই দিন স্মরণ করিবে,
আয়াত ৩৬তাফসীরসংরক্ষণوَبُرِّزَتِ الۡجَحِيۡمُ لِمَنۡ يَّرٰى﴿۳۶﴾৭৯-৩৬ : এবং প্রকাশ করা হইবে জাহান্নাম দর্শকদের জন্য।
আয়াত ৩৮তাফসীরসংরক্ষণوَاٰثَرَ الۡحَيٰوةَ الدُّنۡيَا ۙ﴿۳۸﴾৭৯-৩৮ : এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দেয়,
আয়াত ৪০তাফসীরসংরক্ষণوَاَمَّا مَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّهٖ وَ نَهَى النَّفۡسَ عَنِ الۡهَوٰىۙ﴿۴۰﴾৭৯-৪০ : পক্ষান্তরে যে স্বীয় প্রতিপালকের সম্মুখে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে এবং প্রবৃত্তি হইতে নিজকে বিরত রাখে,
আয়াত ৪২তাফসীরসংরক্ষণيَسۡــٴَــلُوۡنَكَ عَنِ السَّاعَةِ اَيَّانَ مُرۡسٰٮهَا ؕ ﴿۴۲﴾৭৯-৪২ : উহারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে কিয়ামত সম্পর্কে, ‘উহা কখন ঘটিবে?’
আয়াত ৪৩তাফসীরসংরক্ষণفِيۡمَ اَنۡتَ مِنۡ ذِكۡرٰٮهَاؕ﴿۴۳﴾৭৯-৪৩ : ইহার আলোচনার সঙ্গে তোমার কী সম্পর্ক?
আয়াত ৪৪তাফসীরসংরক্ষণاِلٰى رَبِّكَ مُنۡتَهٰٮهَاؕ﴿۴۴﴾৭৯-৪৪ : ইহার পরম জ্ঞান আছে তোমার প্রতিপালকেরই নিকট;
আয়াত ৪৫তাফসীরসংরক্ষণاِنَّمَاۤ اَنۡتَ مُنۡذِرُ مَنۡ يَّخۡشٰٮهَاؕ﴿۴۵﴾৭৯-৪৫ : যে উহার ভয় রাখে তুমি কেবল তাহার সতর্ককারী।
আয়াত ৪৬তাফসীরসংরক্ষণكَاَنَّهُمۡ يَوۡمَ يَرَوۡنَهَا لَمۡ يَلۡبَثُوۡۤا اِلَّا عَشِيَّةً اَوۡ ضُحٰٮهَا﴿۴۶﴾৭৯-৪৬ : যেই দিন উহারা ইহা প্রত্যক্ষ করিবে সেই দিন উহাদের মনে হইবে যেন উহারা পৃথিবীতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক প্রভাত অবস্থান করিয়াছে!