আয়াত ৪তাফসীরসংরক্ষণوَاِذَا الۡعِشَارُ عُطِّلَتۡۙ﴿۴﴾৮১-৪ : যখন পূর্ণ - গর্ভা উষ্ট্রী উপেক্ষিত হইবে,
আয়াত ৮তাফসীরসংরক্ষণوَاِذَا الۡمَوۡءٗدَةُ سُٮِٕلَتۡۙ﴿۸﴾৮১-৮ : যখন জীবন্ত সমাধিস্থ কন্যাকে জিজ্ঞাসা করা হইবে,
আয়াত ১২তাফসীরসংরক্ষণوَاِذَا الۡجَحِيۡمُ سُعِّرَتۡۙ﴿۱۲﴾৮১-১২ : জাহান্নামের অগ্নি যখন উদ্দীপিত করা হইবে,
আয়াত ১৩তাফসীরসংরক্ষণوَاِذَا الۡجَـنَّةُ اُزۡلِفَتۡۙ﴿۱۳﴾৮১-১৩ : এবং জান্নাত যখন সমীপবর্তী করা হইবে,
আয়াত ১৪তাফসীরসংরক্ষণعَلِمَتۡ نَفۡسٌ مَّاۤ اَحۡضَرَتۡؕ﴿۱۴﴾৮১-১৪ : তখন প্রত্যেক ব্যক্তিই জানিবে সে কী লইয়া আসিয়াছে।
আয়াত ১৫তাফসীরসংরক্ষণفَلَاۤ اُقۡسِمُ بِالۡخُنَّسِۙ﴿۱۵﴾৮১-১৫ : আমি শপথ করি পশ্চাদপসরণকারী নক্ষত্রের,
আয়াত ১৯তাফসীরসংরক্ষণاِنَّهٗ لَقَوۡلُ رَسُوۡلٍ كَرِيۡمٍۙ﴿۱۹﴾৮১-১৯ : নিশ্চয়ই এই কুরআন সম্মানিত বার্তাবহের আনীত বাণী
আয়াত ২০তাফসীরসংরক্ষণذِىۡ قُوَّةٍ عِنۡدَ ذِى الۡعَرۡشِ مَكِيۡنٍۙ﴿۲۰﴾৮১-২০ : যে সামর্থ্যশালী, আরশের মালিকের নিকট মর্যাদাসম্পন্ন,
আয়াত ২১তাফসীরসংরক্ষণمُّطَاعٍ ثَمَّ اَمِيۡنٍؕ﴿۲۱﴾৮১-২১ : যাহাকে সেখানে মান্য করা হয়, যে বিশ্বাসভাজন।
আয়াত ২৩তাফসীরসংরক্ষণوَلَقَدۡ رَاٰهُ بِالۡاُفُقِ الۡمُبِيۡنِۚ﴿۲۳﴾৮১-২৩ : সে তো তাহাকে স্পষ্ট দিগন্তে দেখিয়াছে,
আয়াত ২৪তাফসীরসংরক্ষণوَمَا هُوَ عَلَى الۡغَيۡبِ بِضَنِيۡنٍۚ﴿۲۴﴾৮১-২৪ : সে অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে কৃপণ নয়।
আয়াত ২৫তাফসীরসংরক্ষণوَمَا هُوَ بِقَوۡلِ شَيۡطٰنٍ رَّجِيۡمٍۙ﴿۲۵﴾৮১-২৫ : এবং ইহা অভিশপ্ত শয়তানের বাক্য নয়।
আয়াত ২৭তাফসীরসংরক্ষণاِنۡ هُوَ اِلَّا ذِكۡرٌ لِّلۡعٰلَمِيۡنَۙ﴿۲۷﴾৮১-২৭ : ইহা তো শুধু বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ,
আয়াত ২৮তাফসীরসংরক্ষণلِمَنۡ شَآءَ مِنۡكُمۡ اَنۡ يَّسۡتَقِيۡمَؕ﴿۲۸﴾৮১-২৮ : তোমাদের মধ্যে যে সরল পথে চলিতে চায়, তাহার জন্য।
আয়াত ২৯তাফসীরসংরক্ষণوَمَا تَشَآءُوۡنَ اِلَّاۤ اَنۡ يَّشَآءَ اللّٰهُ رَبُّ الۡعٰلَمِيۡنَ﴿۲۹﴾৮১-২৯ : তোমরা ইচ্ছা করিবে না যদি জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহ্ ইচ্ছা না করেন।